2020


অনেক বিজ্ঞাপনে দেখা যায় অনলাইন থেকে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করা সম্ভব আসলেই কি তা ঠিক কতটা সত্য এবং আপনি কি সেটা পারবে নাকি আজকে তা জানার চেষ্টা করব।

অনলাইনে ইনকাম এটা অনেকেরই স্বপ্ন থাকে কতজন এই স্বপ্নটা সত্যি করতে পারে। বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে দেখতে পাবেন যে অনলাইন থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করুন মাত্র তিন মাসে ছয় মাসে কিন্তু আসলে সেটা সম্ভব কিনা। আপনি যদি কোন কাজ না জানেন তাহলে আপনি অনলাইন থেকে এক টাকাও ইনকাম করতে পারবেন কিনা। এখানে প্রশ্ন হতে পারে আমি তাহলে কি অনলাইন থেকে ইনকাম হতে পারব না হ্যাঁ পারবেন যদি আপনার ধৈর্য এবং আপনার কোন বিষয়ে দক্ষতা থাকে।

আপনার যদি ডিজাইনের উপর খুব আগ্রহ থাকে তাহলে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে পারেন। আপনি যদি একজন দক্ষ গ্রাফিক ডিজানার হন তাহলে আপনার মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করা সম্ভব শুধুমাত্র অনলাইন থেকে।

আবার আপনার যদি কোড নিয়ে খুব আগ্রহ থাকে তাহলে আপনি ওয়েব ডেভলপমেন্ট শিখতে পারেন। ওয়েব ডেভলপমেন্ট শিখে আপনি অনলাইন থেকে অনেক কাজ পাবেন এবং আপনার মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করা সম্ভব শুধুমাত্র আপনি যদি একজন দক্ষ ওয়েব ডেভলপার হতে পারেন।

 আপনি যদি খুব ভালো ভিডিও এডিটিং করতে পারেন তাহলে আপনি অনলাইনে অনেক ভালো একটি নিজের পজিশন তৈরি করে নিতে পারবেন।  যদি খুব ভালো মাইক্রোসফট এক্সেল মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট এসবের কাজ জানেন তাহলে আপনি অনলাইনে অনেক কাজ পাবেন।

আমি এখানে বলছি আপনি এটা শিখে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন তার মানে এই না যে আপনি আজকে কাজ শুরু করলেন এবং কালকে থেকে আপনি লাখ লাখ টাকা ইনকাম করবেন। এরকম যদি আপনার মনে কোন ভাবনা থেকে থাকে তাহলে এটা সম্পূর্ণ ভুল। অনলাইন জগত এখানে আপনাকে কাজ করতে হলে আগে আপনাকে দক্ষ হতে হবে এবং নিজের স্কিল ডেভেলপ করতে হবে। আপনি যত বেশি দক্ষতা দেখাতে পারবেন আপনার ইনকাম তত তাড়াতাড়ি শুরু হবে।

বিকাশ লিমিটেড নতুন বছরে দিচ্ছে ২০০৳ বোনাস!

নতুন বছর উপলক্ষ্যে বিকাশ দিচ্ছে ২০০৳ পর্যন্ত বোনাস(শর্ত প্রযোজ্য)

তবে সেই ক্ষেত্রে তাদের কিছু শর্ত আছে। শর্তগুলো নিচে দেওয়া হলো..
  • কেউ একাউন্ট খুলার পর প্রথমবার বিকাশ অ্যাপে লগ ইন করলে এই বোনাস পাবেন।এবং কেউ যদি নতুন একাউন্ট খুলেন ওবং এপ্স এ লগইন করেন,সেও এই বোনাস পাবেন
  • কাস্টমার ৮ সপ্তাহে সর্বমোট ২০০ টাকা পর্যন্ত বোনাস পাবেন
  • যোগ্য গ্রাহকেরা সাপ্তাহিক চ্যালেঞ্জ শেষ হওয়ার পরবর্তী কর্মদিবসের মধ্যে উল্লিখিত সব ক্যাম্পেইনের জন্য বোনাস পাবেন
  • যদি কোনো গ্রাহক কোনো সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে থাকেন, তাহলে চ্যালেঞ্জ কমপ্লিট করার মাধ্যমে তিনি পরবর্তী রবিবার (কার্যদিবসে) বোনাস পাবেন
  • একাউন্ট স্ট্যাটাসের ইস্যুজনিত কারণ ছাড়া যদি অন্য কোনো অজানা কারণে গ্রাহক ক্যাশব্যাক না পান,সেক্ষেত্রে বিকাশ ২ সপ্তাহের মধ্যে দুই বার অন্তর অন্তর পুনরায় পুরস্কারের অর্থ প্রদানের চেষ্টা করবে। সব চেষ্টাই যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে আর চেষ্টা করা হবে না এবং গ্রাহক অফার বোনাসের জন্য আর বিবেচিত হবেন না;
  • গ্রাহক তার বিকাশ একাউন্ট থেকে সাপ্তাহিক চ্যালেঞ্জ সমপন্ন করলে বোনাস পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবেন
  • যেকোনো সপ্তাহের চ্যালেঞ্জ বোনাস ওই সপ্তাহের নির্দিষ্ট প্রথম লেনদেন এর উপর প্রযোজ্য

যেভাবে পাওয়া যাবে ২০০৳ বোনাস!
  • প্রথমবার অ্যাপে লগ ইন করলে ২০ টাকা বোনাস
  • ১ম সপ্তাহে ৩ বার অ্যাপে লগ ইন করলে ১০ টাকা বোনাস
  • ২য় সপ্তাহে মোবাইল রিচার্জ করলে ১৫ টাকা পর্যন্ত বোনাস
  • ৩য় সপ্তাহে সার্ভে সম্পন্ন করলে ১০ টাকা বোনাস
  • ৪র্থ সপ্তাহে ১৫ টাকা সেন্ড মানি করলে ১৫ টাকা বোনাস
  • ৫ম সপ্তাহে যেকোনো লেনদেনে ২৫ টাকা বোনাস
  • ৬ষ্ঠ সপ্তাহে পেমেন্ট করলে ৩০ টাকা বোনাস
  • ৭ম সপ্তাহে পে বিল করলে ৩৫ টাকা বোনাস
  • ৮ম সপ্তাহে রেফার করলে ৪০ টাকা বোনাস

এইভাবে মোট পাবেন ৮ সপ্তাহে ২০০৳


স্যামাসংয়ের প্রথম ফোল্ডেবল ফোন। ছবি : ইন্টারনেট থেকে নেওয়া

স্মার্টফোনের ডিসপ্লে তৈরিতে সিদ্ধহস্ত দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানি স্যামসাং। প্রতিষ্ঠানটির সুনাম রয়েছে ডিসপ্লের নতুন নতুন সব প্যানেল তৈরির।  

এবার স্যামসাংয়ের কাছ থেকে ফোল্ডেবল স্মার্টফোনের ডিসপ্লে প্যানেল কিনতে চায় চীনের কোম্পানি হুয়াওয়ে ও শাওমি।হুয়াওয়ে বাজারে এনেছে মেট এক্স নামের ফোল্ডেবল ফোন, যার ডিসপ্লে প্যানেল তৈরি করেছে চীনেরই প্রতিষ্ঠান বিওই। 

আর শাওমির মি মিক্স আলফার প্যানেল তৈরি করেছে সে দেশেরই আরেক প্রতিষ্ঠান ভিশনক্স।শাওমি সম্প্রতি একটি সাইডবারসহ পুল-আউট ফোনের পেটেন্ট করেছে। নতুন ফোনে তারা স্যামসাংয়ের তৈরি করা ডিসপ্লে প্যানেল দিতে চায়।ফোনটির সঙ্গে মি মিক্স আলফার মিল থাকছে। 

শাওমি চাইছে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ফোল্ডেবল ফোনটি বাজারে ছাড়তে।অন্যদিকে হুয়াওয়ে আরেকটি ফোল্ডেবল আনতে যাচ্ছে। নাম হতে পারে মেট এক্স২।হুয়াওয়ে তাদের দ্বিতীয় ফোল্ডেবলটি আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই বাজারে আসতে পারে।ফোনটিতে থাকতে পারে হুয়াওয়ের নিজস্ব কিরিন ১০০০ প্রসেসর। 

আর এটি সম্পর্কে আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে শুরু হতে যাওয়া কনজুম্যার ইলেক্ট্রনিক শো বা সিইএসে বিস্তারিত জানানো হবে।

সাবমেরিন ক্যাবলে বাংলাদেশের নতুন রুট ১৮৫০ কিলোমিটার

দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে বাংলাদেশের ল্যান্ডিং স্টেশন হতে গভীর সমুদ্রের মূল লাইনের দূরত্ব হবে ১৮৫০ কিলোমিটার। নিজেদের এই ক্যাবলের জন্য বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সি-মি-উই ৬ কনসোর্টিয়ামে যোগ দিয়েছে।

সিঙ্গাপুর-ফ্রান্স পর্যন্ত সি-মি-উই ৬ এর যে মূল রুট হবে সেটি বাংলাদেশ হতে এই ১৮৫০ কিলোমিটার দূর দিয়ে যাবে। এই দূরত্বই হচ্ছে বাংলাদেশের নিজেদের রুট।আর নিজেদের রুটের ক্যাবল বসানোর পুরো খরচ বাংলাদেশের নিজেদের।

সি-মি-উই ৬ কনসোর্টিয়ামের সদস্যরা যৌথভাবে শুধু মূল লাইনের খরচ বহন করবে যেটি সিঙ্গাপুর-ফ্রান্স বসছে। যার দূরত্ব ২০ হাজার কিলোমিটার বা এর কিছু কম বেশি হতে পারে।দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল কার্যক্রমে যুক্ত টেলিযোগাযোগ বিভাগের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলছেন, গভীর সাগরে সি-মি-উই ৬ এর মূল রুটের যেখান দিয়ে বাংলাদেশের অংশের সংযোগ নেয়া হবে সেটি ব্র্যাঞ্চিং ইউনিট।

এই ব্র্যাঞ্চিং ইউনিট হতে বাংলাদেশের ল্যান্ডিং স্টেশন পর্যন্ত রুটই হচ্ছে বাংলাদেশের ‍রুট, যার দৈর্ঘ্য হচ্ছে ১৮৫০ কিলোমিটার।‘অবশ্য এটি এখন প্রাথমিক পরিমাপ। যে কোম্পানি সি-মি-উই ৬ এর কাজ পাবে তারা প্রি-লে সার্ভে করবে তারপর এটি চূড়ান্ত হবে। তখন এটি ১৮১০ হতে ১৮৯০ এর মধ্যে কোনো একটা হতে পারে। এই দূরুত্বে ক্যাবল বসানোর খরচ পুরোটাই বাংলাদেশকে একা বহন করতে হবে। তবে কাজটি কনসোর্টিয়ামের কাজ পাওয়া কোম্পানিই করে দেবে ’ বলছিলেন তিনি।এই কর্মকর্তা জানান, ব্র্যাঞ্চিং ইউনিট হতে ক্যাবল এসে কক্সবাজারের ল্যান্ডিং স্টেশনে সংযোগ হবে।

এই স্টেশন সি-মি-উই ৪ মানে দেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলের স্টেশনই। এটি এক্সটেনশন করে সি-মি-উই ৬ এর জন্য ব্যবহার করা হবে।সোমবার হতে সিঙ্গাপুরে কনসোর্টিয়ামের দরপত্র মূল্যায়ন ও চূড়ান্তকরণ কার্যক্রমে অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে  যোগ দিচ্ছে বাংলাদেশও। দেশের ৩ সদস্যদের একটি প্রতিনিধি দল যাচ্ছে এতে। ৬ হতে ১৬ জানুয়ারির মধ্যে কোম্পানি বাছাই চূড়ান্ত  করার পরিকল্পনা কনসোর্টিয়ামের।সি-মি-উই ৬ কনসোর্টিয়ামে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের ১৫টি অংশীজন যোগ দেয়ার কথা ঠিক হয়েছে।

এরমধ্যে চীনেরই আছে তিনটি কোম্পানি। শেষ নাগাদ এখানে হয়তো হয়তো আরও দু’একটি দেশ বা অংশীজন যোগ দিতে পারে।নতুন  ক্যাবলে বাংলাদেশ দুটি ডিরেকশনে ১০ টেরাবিট বা ১০ হাজার জিবিপিএস নিচ্ছে। একটি কক্সবাজার হতে সিঙ্গাপুরের দিকে আরেকটি কক্সবাজার হতে ফ্রান্সে দিকে। দুটিতেই ৫ টেরাবিট করে। এই ব্যান্ডউথের জন্য একটি ফাইবার পেয়ারের অর্ধেক নেয়ায় বাংলাদেশের ৭০ মিলিয়ন ডলারের মতো খরচ হতে পারে বলে ধারণা নেয়া হচ্ছে।এটি নানা বিষয়ের উপর নির্ভর করে।

কনসোর্টিয়ামে অংশীজন বেশি হলে খরচ কমবে। ১৫ জনের জন্য ৮ বা ৯ টা ফাইবার পেয়ার লাগবে। সেক্ষেত্রে অংশীজন যদি ২০টা হয় তাহলে এই ফাইবার পেয়ার লাগবে ১২টা। তখন খরচের বিষয়টি ভিন্ন হতে পারে।সি-মি-উই (SEA-ME-WE) হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং পশ্চিম ইউরোপের সংক্ষিপ্ত নাম। এই এলাকার মধ্য দিয়ে ক্যাবলটি স্থাপিত বলে প্রতিটি ক্যাবলের নামে এমনটা যুক্ত থাকে।

যেমন সি-মি-উই ৪, সি-মি-উই ৫।সর্বশেষ সি-মি-উই ৫ কনসোর্টিয়ামে এই এলাকার দেশগুলোর মধ্যে ছিল বাংলাদেশ, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, ইউএই, জিবুতি, মিসর, তুরস্ক, ইতালি, ফ্রান্স, মিয়ানমার, ইয়েমেন। এই ১৯ দেশ ১৯টি ল্যান্ডিং পয়েন্টের মাধ্যমে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget